০৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হৃদপিণ্ডে ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র—নিয়ামতপুরের শিশু ফাতিমার জীবন বাঁচাতে সহায়তার আবেদন

Reporter Name
  • Update Time : ০৬:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১৭ Time View

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা-এ তিন বছরের শিশু ফাতিমা আহাম্মাদ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার হৃদযন্ত্রে ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র ধরা পড়েছে। বর্তমানে সে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফাতিমা উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও সংক্রমণসহ নানা জটিলতায় ভুগছে ছোট্ট শিশুটি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সেই তার হৃদরোগ শনাক্ত হয়। চিকিৎসকরা তখনই উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।

ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালানো বাবা মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন,আমার মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার ফাতিমা নতুন জীবন পাবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফাইসাল নাহিদ দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য দ্রুত তাকে ঢাকায় নিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

একটি নিষ্পাপ শিশুর বাঁচার আকুতি—একজন অসহায় বাবার আর্তনাদ। সমাজের সহৃদয় ও বিত্তবান মানুষের সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট ফাতিমার নতুন জীবনের আশার আলো।

Please Share This Post in Your Social Media

হৃদপিণ্ডে ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র—নিয়ামতপুরের শিশু ফাতিমার জীবন বাঁচাতে সহায়তার আবেদন

Update Time : ০৬:০৪:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলা-এ তিন বছরের শিশু ফাতিমা আহাম্মাদ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। তার হৃদযন্ত্রে ৫.৫ মিলিমিটার ছিদ্র ধরা পড়েছে। বর্তমানে সে নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসাধীন রয়েছে।

ফাতিমা উপজেলার শ্রীমন্তপুর ইউনিয়নের ভ্যানচালক মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর মেয়ে। সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও সংক্রমণসহ নানা জটিলতায় ভুগছে ছোট্ট শিশুটি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মাত্র এক বছর বয়সেই তার হৃদরোগ শনাক্ত হয়। চিকিৎসকরা তখনই উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দিলেও অর্থাভাবে তা সম্ভব হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রোগটি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে।

ভ্যান চালিয়ে কোনোমতে সংসার চালানো বাবা মোস্তাকুল আহমেদ রাজুর পক্ষে মেয়ের ব্যয়বহুল চিকিৎসা বহন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন,আমার মেয়েটাকে বাঁচাতে চাই। আপনারা সবাই একটু সাহায্য করলে হয়তো আমার ফাতিমা নতুন জীবন পাবে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. ফাইসাল নাহিদ দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো চিকিৎসা পেলে ফাতিমার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য দ্রুত তাকে ঢাকায় নিয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা করানো প্রয়োজন।

একটি নিষ্পাপ শিশুর বাঁচার আকুতি—একজন অসহায় বাবার আর্তনাদ। সমাজের সহৃদয় ও বিত্তবান মানুষের সহায়তাই হতে পারে ছোট্ট ফাতিমার নতুন জীবনের আশার আলো।